ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আগস্টেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, অপরিবর্তিত থাকছে সব ধরনের জ্বালানির মূল্য প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, নতুন নজির সরকারের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলল, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর, বিমান টিকিটে আরও ২৫ হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা ধামা ইলিয়াছের তথ্যে গ্রেফতার ডেভিড ইমন, উদ্ধার বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রের মজুদ ৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভা, প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ আরও সহজ বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন লেভানডফস্কি, কারণ জানালেন তার এজেন্ট আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই’— বিয়ে ও মামলা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

উচ্চ রক্তচাপ দিবসে সচেতনতামূলক সেমিনার ও র‍্যালি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 119

উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনার শেষে জনসচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মেডিসিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির আহ্বায়ক এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন সোসাইটির সদস্য সচিব ডা. জাকারিয়া আল আজিজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক রোগ। প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ১১ মিলিয়ন মানুষ এ কারণে মারা যায়। বাংলাদেশে প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হলেও অনেকেই এ বিষয়ে সচেতন নন। গবেষণা অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশই জানেন না তারা এই রোগে ভুগছেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আহমাদ মনজুরুল আজিজ।

আলোচনায় প্যানেল সদস্য হিসেবে অংশ নেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মাদ, পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাকি মোহাম্মদ জাকিউল আলম, মুগদা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শাহাবুল হুদা চৌধুরী এবং মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মনজুরুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মেডিকেল প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

উচ্চ রক্তচাপ দিবসে সচেতনতামূলক সেমিনার ও র‍্যালি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনার শেষে জনসচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মেডিসিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির আহ্বায়ক এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন সোসাইটির সদস্য সচিব ডা. জাকারিয়া আল আজিজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক রোগ। প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ১১ মিলিয়ন মানুষ এ কারণে মারা যায়। বাংলাদেশে প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হলেও অনেকেই এ বিষয়ে সচেতন নন। গবেষণা অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশই জানেন না তারা এই রোগে ভুগছেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আহমাদ মনজুরুল আজিজ।

আলোচনায় প্যানেল সদস্য হিসেবে অংশ নেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মাদ, পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাকি মোহাম্মদ জাকিউল আলম, মুগদা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শাহাবুল হুদা চৌধুরী এবং মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মনজুরুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মেডিকেল প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।