ঠাকুরগাঁও বিসিক শিল্পনগরীতে হবে ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
- / 50

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ঠাকুরগাঁওয়ের নতুন বিসিক শিল্পনগরীকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সরকার এই অঞ্চলের আলু, চা ও দুগ্ধভিত্তিক শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বড় কেন্দ্র গড়ে তুলতে চায়।
শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের নতুন বিসিক শিল্পনগরী পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে আগে থেকেই একটি রপ্তানিমুখী শিল্পাঞ্চল সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বিসিক শিল্পনগরীটিকে কৃষিনির্ভর ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা সেখানে শিল্পকারখানা স্থাপনের আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং প্লট নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, বেকারত্ব কমাতে নতুন বিনিয়োগ ও শিল্পকারখানা স্থাপনের বিকল্প নেই। এই শিল্পপার্কের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে সরকার।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের বিশেষায়িত শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের শিল্প সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এখানকার মোজারেলা চিজ ইতোমধ্যে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। পাশাপাশি সমতল অঞ্চলে চা চাষেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। তিনি জানান, কয়েকজন বড় উদ্যোক্তা বছরে প্রায় ১৯ লাখ কেজি চা প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করছেন।
দেশে উদ্বৃত্ত আলুর ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান শিল্পমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিপস ও আলুভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য তৈরির জন্য উন্নত জাতের আলু চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫০ একর জমির ওপর নির্মিত এই শিল্পপার্কে মোট ২৫১টি প্লট রয়েছে। বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য একাধিক প্লট বরাদ্দের সুযোগও রাখা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে শিল্প মন্ত্রণালয়, বিসিক ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।






















