ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, দালাল চক্রের প্রতারণার ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / 74

লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক বৃহস্পতিবার ভোরে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ সরকার, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার যৌথ সহায়তায় স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় তারা দেশে ফেরেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ভোর ৫টার দিকে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস একযোগে কাজ করেছে। এতে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশি দালাল চক্রের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার আশায় লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। মানব পাচারকারীরা তাদের অবৈধভাবে সমুদ্রপথে সেখানে নিয়ে যায়।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাদের অনেকেই অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন এবং অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

পুনর্বাসন সহায়তার অংশ হিসেবে প্রত্যেককে যাতায়াত খরচ, খাবার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়া লিবিয়ার বিভিন্ন আটক কেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, দালাল চক্রের প্রতারণার ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

আপডেট সময় : ০৬:০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক বৃহস্পতিবার ভোরে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ সরকার, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার যৌথ সহায়তায় স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় তারা দেশে ফেরেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ভোর ৫টার দিকে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস একযোগে কাজ করেছে। এতে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশি দালাল চক্রের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার আশায় লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। মানব পাচারকারীরা তাদের অবৈধভাবে সমুদ্রপথে সেখানে নিয়ে যায়।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাদের অনেকেই অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন এবং অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

পুনর্বাসন সহায়তার অংশ হিসেবে প্রত্যেককে যাতায়াত খরচ, খাবার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়া লিবিয়ার বিভিন্ন আটক কেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।