ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য

দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ১৬ লাখ টনের বেশি, নিরাপদ অবস্থানে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 205

ছবি: সংগৃহীত

দেশে বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চাল ও গমসহ মোট খাদ্যশস্যের মজুত ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের ৫ মে পর্যন্ত সর্বশেষ দৈনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি গুদামগুলোতে বর্তমানে চালের মজুত রয়েছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন। পাশাপাশি গমের মজুত ৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৮৪ মেট্রিক টন এবং ধানের মজুত ২৬৫ মেট্রিক টন। এই হিসেবে গুদামে মোট মজুত দাঁড়ায় ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৩ মেট্রিক টন।

এর বাইরে ট্রানজিটে থাকা বা ভাসমান মজুত হিসাবেও গম ও চাল যুক্ত রয়েছে। ভাসমান অবস্থায় গমের পরিমাণ ৯০ হাজার ৬৭২ মেট্রিক টন এবং চালের পরিমাণ ২৯ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন। এসব মিলিয়ে মোট খাদ্যশস্যের মজুত দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬ মেট্রিক টন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে এই মজুত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। সাধারণভাবে ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য থাকলেই তা নিরাপদ মজুত হিসেবে বিবেচিত হয়। সে হিসেবে বর্তমান মজুত পর্যাপ্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা জানান, চলমান বোরো মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এতে আগামী দিনে খাদ্যশস্যের মজুত আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত ৩ মে থেকে শুরু হওয়া খাদ্য সংগ্রহ অভিযান চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময় ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের আমদানি ও সংগ্রহ কার্যক্রমের ফলে ভবিষ্যতে খাদ্য মজুত আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ১৬ লাখ টনের বেশি, নিরাপদ অবস্থানে সরকার

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

দেশে বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চাল ও গমসহ মোট খাদ্যশস্যের মজুত ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের ৫ মে পর্যন্ত সর্বশেষ দৈনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি গুদামগুলোতে বর্তমানে চালের মজুত রয়েছে ১২ লাখ ২৫ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন। পাশাপাশি গমের মজুত ৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৮৪ মেট্রিক টন এবং ধানের মজুত ২৬৫ মেট্রিক টন। এই হিসেবে গুদামে মোট মজুত দাঁড়ায় ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৩ মেট্রিক টন।

এর বাইরে ট্রানজিটে থাকা বা ভাসমান মজুত হিসাবেও গম ও চাল যুক্ত রয়েছে। ভাসমান অবস্থায় গমের পরিমাণ ৯০ হাজার ৬৭২ মেট্রিক টন এবং চালের পরিমাণ ২৯ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন। এসব মিলিয়ে মোট খাদ্যশস্যের মজুত দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬ মেট্রিক টন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে এই মজুত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। সাধারণভাবে ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য থাকলেই তা নিরাপদ মজুত হিসেবে বিবেচিত হয়। সে হিসেবে বর্তমান মজুত পর্যাপ্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা জানান, চলমান বোরো মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এতে আগামী দিনে খাদ্যশস্যের মজুত আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত ৩ মে থেকে শুরু হওয়া খাদ্য সংগ্রহ অভিযান চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময় ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের আমদানি ও সংগ্রহ কার্যক্রমের ফলে ভবিষ্যতে খাদ্য মজুত আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।