ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য

জেলা প্রশাসকদের সন্তুষ্টি, সেনাবাহিনীর সহযোগিতা যুগান্তকারী বললেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 58

দীর্ঘ সময় ধরে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তাদের এই সহযোগিতার বিষয়ে দেশের সব জেলা প্রশাসক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী প্রধান ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কেও ধন্যবাদ জানান তারা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, সেনাবাহিনী যেভাবে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করেছে তা সত্যিই যুগান্তকারী। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।

তিনি জানান, সম্মেলনের প্রথম কার্য অধিবেশনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের সেনাবাহিনীর কার্যপদ্ধতি, পরিকল্পনা ও ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা নিয়েও নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। এতে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের কীভাবে সেই দর্শনের আলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে তা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সমন্বিত কার্যক্রম কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেই বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সেনাবাহিনীকে পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে আরও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সেনা সদস্যরা কঠোর পরিশ্রম করে জনগণের পাশে কাজ করছে। দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের অনেক সময় বিশ্রামের সুযোগও কম থাকে।

তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সম্মেলনটি ফলপ্রসূ হয়েছে এবং তাদের সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেসামরিক প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জেলা প্রশাসকদের সন্তুষ্টি, সেনাবাহিনীর সহযোগিতা যুগান্তকারী বললেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

দীর্ঘ সময় ধরে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তাদের এই সহযোগিতার বিষয়ে দেশের সব জেলা প্রশাসক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী প্রধান ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কেও ধন্যবাদ জানান তারা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, সেনাবাহিনী যেভাবে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করেছে তা সত্যিই যুগান্তকারী। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।

তিনি জানান, সম্মেলনের প্রথম কার্য অধিবেশনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের সেনাবাহিনীর কার্যপদ্ধতি, পরিকল্পনা ও ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা নিয়েও নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। এতে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের কীভাবে সেই দর্শনের আলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে তা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সমন্বিত কার্যক্রম কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেই বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সেনাবাহিনীকে পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে আরও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সেনা সদস্যরা কঠোর পরিশ্রম করে জনগণের পাশে কাজ করছে। দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের অনেক সময় বিশ্রামের সুযোগও কম থাকে।

তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সম্মেলনটি ফলপ্রসূ হয়েছে এবং তাদের সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেসামরিক প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।