ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ মামলা: তদন্ত প্রায় শেষ, ৭ জুনে প্রতিবেদন দাখিলের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 110

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, এই ঘটনায় শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যই নন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি আর্থিক সহায়তার প্রমাণও তদন্তে উঠে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, তদন্তে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংশ্লিষ্টদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত প্রায় দেড় বছর ধরে এই তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং শহীদদের তথ্য সংগ্রহসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ তৎকালীন প্রশাসন ও বিভিন্ন বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ের আরও অনেক ব্যক্তিও মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন। সব মিলিয়ে এ মামলায় ২৫ জনের বেশি আসামি রয়েছে এবং ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ মামলা: তদন্ত প্রায় শেষ, ৭ জুনে প্রতিবেদন দাখিলের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, এই ঘটনায় শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যই নন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি আর্থিক সহায়তার প্রমাণও তদন্তে উঠে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, তদন্তে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংশ্লিষ্টদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত প্রায় দেড় বছর ধরে এই তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং শহীদদের তথ্য সংগ্রহসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ তৎকালীন প্রশাসন ও বিভিন্ন বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ের আরও অনেক ব্যক্তিও মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন। সব মিলিয়ে এ মামলায় ২৫ জনের বেশি আসামি রয়েছে এবং ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।