ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য

চার লেনে রূপ নিচ্ছে কুমিল্লা–ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়ক, কমবে ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 34

মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার দ্রুতগতিতে সড়ক উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই কুমিল্লা–ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়কের উন্নয়ন কার্যক্রমে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

বুধবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সদস্য মো. আবুল হাসনাতের জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কটির সংস্কার ও প্রশস্তীকরণ কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করা হবে। যদিও চার লেনে উন্নীতকরণের বড় প্রকল্পটি আপাতত বৈদেশিক অর্থায়নের বাইরে রয়েছে, তবুও সরকার বিকল্প অর্থায়নের পথ খুঁজছে।

৮২ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সরাইল পর্যন্ত প্রায় ২৮ কিলোমিটার ইতোমধ্যে চার লেনে উন্নয়নের আওতায় এসেছে। এখানে ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন রাখা হচ্ছে, যা সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অংশ হিসেবে চিহ্নিত দেবিদ্বার, কংশনগর ও ভিংলাবাড়ী এলাকায় ৮০৪ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি পিরিয়ডিক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন স্থানে আরও ১ হাজার ৮৪৫ মিটার সড়ক প্রশস্ত ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াধীন।

এ ছাড়া কুমিল্লা থেকে দেবিদ্বার পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়ক ৩৪ ফুটে প্রশস্ত করার কাজ দ্রুত শুরু করতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং চূড়ান্ত নকশা প্রস্তুতের কাজও এগিয়ে চলছে।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও গতিশীল হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চার লেনে রূপ নিচ্ছে কুমিল্লা–ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়ক, কমবে ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার দ্রুতগতিতে সড়ক উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই কুমিল্লা–ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়কের উন্নয়ন কার্যক্রমে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

বুধবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সদস্য মো. আবুল হাসনাতের জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কটির সংস্কার ও প্রশস্তীকরণ কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করা হবে। যদিও চার লেনে উন্নীতকরণের বড় প্রকল্পটি আপাতত বৈদেশিক অর্থায়নের বাইরে রয়েছে, তবুও সরকার বিকল্প অর্থায়নের পথ খুঁজছে।

৮২ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সরাইল পর্যন্ত প্রায় ২৮ কিলোমিটার ইতোমধ্যে চার লেনে উন্নয়নের আওতায় এসেছে। এখানে ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন রাখা হচ্ছে, যা সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অংশ হিসেবে চিহ্নিত দেবিদ্বার, কংশনগর ও ভিংলাবাড়ী এলাকায় ৮০৪ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি পিরিয়ডিক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন স্থানে আরও ১ হাজার ৮৪৫ মিটার সড়ক প্রশস্ত ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াধীন।

এ ছাড়া কুমিল্লা থেকে দেবিদ্বার পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়ক ৩৪ ফুটে প্রশস্ত করার কাজ দ্রুত শুরু করতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং চূড়ান্ত নকশা প্রস্তুতের কাজও এগিয়ে চলছে।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও গতিশীল হবে।