ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

ছদ্মনামে গৃহকর্মী, খাবারে ঘুমের ওষুধ দিয়ে চুরি–হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 56

গৃহকর্মী বিলকিস বেগম একেক বাসায় একেক নাম ব্যবহার করে কাজ নিতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাসার সদস্যদের অচেতন করে একাধিক চুরির ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি একটি ঘটনায় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ প্রয়োগে ভুক্তভোগীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

পিবিআই জানিয়েছে, প্রায় ৫–৬ বছর ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত সাতটি চুরির ঘটনায় তিনি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। সম্প্রতি তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার –  পশ্চিম আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক এনায়েত হোসেন মান্নান।

তিনি বলেন, গত বছরের ১৩ আগস্ট উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে ইবনুল আলম পলাশের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে যোগ দেন এক নারী, যিনি পরবর্তীতে আঞ্জুমান নামে পরিচিত হন। কাজের প্রথম দিনেই তিনি কৌশলে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাসার এক বৃদ্ধাকে অচেতন করেন এবং তার সোনার গয়না ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।

পরে ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি ৯ দিন চিকিৎসার পর সুস্থ হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও প্রথমে আসামি শনাক্ত করা যায়নি।

পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরা এলাকায় একই ধরনের আরেকটি ঘটনায় এক নারী গৃহকর্মী গ্রেপ্তার হলে তদন্তে মিল পাওয়া যায়। পরে ছবি দেখিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, দুই ঘটনার পেছনে একই ব্যক্তি জড়িত।

পিবিআই আরও জানায়, গ্রেপ্তার বিলকিস বেগম বিভিন্ন ঘটনায় মারুফা, আঞ্জুমানসহ ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করে গৃহকর্মীর কাজ নিতেন। তাঁর কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টও মেলেনি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সাতটি চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পিবিআই আরও জানায়, তার সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ছদ্মনামে গৃহকর্মী, খাবারে ঘুমের ওষুধ দিয়ে চুরি–হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

গৃহকর্মী বিলকিস বেগম একেক বাসায় একেক নাম ব্যবহার করে কাজ নিতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাসার সদস্যদের অচেতন করে একাধিক চুরির ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি একটি ঘটনায় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ প্রয়োগে ভুক্তভোগীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

পিবিআই জানিয়েছে, প্রায় ৫–৬ বছর ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত সাতটি চুরির ঘটনায় তিনি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। সম্প্রতি তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার –  পশ্চিম আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক এনায়েত হোসেন মান্নান।

তিনি বলেন, গত বছরের ১৩ আগস্ট উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে ইবনুল আলম পলাশের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে যোগ দেন এক নারী, যিনি পরবর্তীতে আঞ্জুমান নামে পরিচিত হন। কাজের প্রথম দিনেই তিনি কৌশলে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাসার এক বৃদ্ধাকে অচেতন করেন এবং তার সোনার গয়না ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।

পরে ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি ৯ দিন চিকিৎসার পর সুস্থ হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও প্রথমে আসামি শনাক্ত করা যায়নি।

পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরা এলাকায় একই ধরনের আরেকটি ঘটনায় এক নারী গৃহকর্মী গ্রেপ্তার হলে তদন্তে মিল পাওয়া যায়। পরে ছবি দেখিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, দুই ঘটনার পেছনে একই ব্যক্তি জড়িত।

পিবিআই আরও জানায়, গ্রেপ্তার বিলকিস বেগম বিভিন্ন ঘটনায় মারুফা, আঞ্জুমানসহ ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করে গৃহকর্মীর কাজ নিতেন। তাঁর কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টও মেলেনি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সাতটি চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পিবিআই আরও জানায়, তার সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।