ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কম খরচে ক্যানসার চিকিৎসার দাবি চীনের হাসপাতালের, বাংলাদেশি রোগী বাড়ছে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 57

বাংলাদেশি ক্যানসার রোগীদের জন্য সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের তুলনায় কম খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার দাবি করেছে চীনের গুয়াংজু মডার্ন ক্যানসার হাসপাতাল।

হাসপাতালটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশি রোগী সেখানে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানান হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক বিভাগের পরিচালক হি ল্যাংবিং।

অনুষ্ঠানে অনকোলজি বিশেষজ্ঞ উ উই এবং বিএইচআরএফের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ শুভ উপস্থিত ছিলেন।

হি ল্যাংবিং বলেন, বিদেশি রোগীদের চিকিৎসায় তাদের হাসপাতালের ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জেসিআইয়ের স্বীকৃত এবং এখানে আধুনিক ও ন্যূনতম আক্রমণাত্মক ক্যানসার চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

তিনি জানান, ফুসফুস ও স্তন ক্যানসারের পাশাপাশি লিভার ও অগ্ন্যাশয়ের চিকিৎসার জন্য আলাদা বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১০৩টি দেশের রোগী সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

উ উই বলেন, ক্যানসার চিকিৎসার সময় রোগীর শারীরিক অবস্থা যেন আরও খারাপ না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ভারতের তুলনায় খরচ কিছুটা বেশি হলেও সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের তুলনায় তাদের চিকিৎসা ব্যয় কম। বাংলাদেশি রোগীদের সুবিধার্থে ঢাকায় একটি পরামর্শক কেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কম খরচে ক্যানসার চিকিৎসার দাবি চীনের হাসপাতালের, বাংলাদেশি রোগী বাড়ছে

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বাংলাদেশি ক্যানসার রোগীদের জন্য সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের তুলনায় কম খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার দাবি করেছে চীনের গুয়াংজু মডার্ন ক্যানসার হাসপাতাল।

হাসপাতালটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশি রোগী সেখানে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানান হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক বিভাগের পরিচালক হি ল্যাংবিং।

অনুষ্ঠানে অনকোলজি বিশেষজ্ঞ উ উই এবং বিএইচআরএফের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ শুভ উপস্থিত ছিলেন।

হি ল্যাংবিং বলেন, বিদেশি রোগীদের চিকিৎসায় তাদের হাসপাতালের ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জেসিআইয়ের স্বীকৃত এবং এখানে আধুনিক ও ন্যূনতম আক্রমণাত্মক ক্যানসার চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

তিনি জানান, ফুসফুস ও স্তন ক্যানসারের পাশাপাশি লিভার ও অগ্ন্যাশয়ের চিকিৎসার জন্য আলাদা বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১০৩টি দেশের রোগী সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

উ উই বলেন, ক্যানসার চিকিৎসার সময় রোগীর শারীরিক অবস্থা যেন আরও খারাপ না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ভারতের তুলনায় খরচ কিছুটা বেশি হলেও সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের তুলনায় তাদের চিকিৎসা ব্যয় কম। বাংলাদেশি রোগীদের সুবিধার্থে ঢাকায় একটি পরামর্শক কেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।