ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শাপলা চত্বরের ঘটনায় ৫৮ হত্যার প্রমাণ: পরিচয় শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 96

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে সংঘটিত ঘটনায় ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নিহতদের প্রত্যেকের পরিচয়ও নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ওই ঘটনার সময় ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জন নিহত হন। তদন্তে এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে এবং ভুক্তভোগীদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

পবিত্র কুরআন ও মহানবী (সা.)-এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদ এবং ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচি ঘোষণা করে হেফাজতে ইসলাম। ওই দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আলেম, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও সমর্থকেরা রাজধানীতে সমবেত হন এবং কর্মসূচি শেষে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন।

সেদিন দিনভর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। সন্ধ্যার আগেই সমাবেশস্থলের অস্থায়ী মঞ্চের সামনে দুজনের মরদেহ আনা হয়। পরে মধ্যরাতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালালে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে। গুলি, টিয়ারশেল ও শব্দবিস্ফোরক নিক্ষেপের মধ্যে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। বিভিন্ন সূত্রে এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ ঘটনার নিহতের সংখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে আসে। ২০২৫ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম তাদের পক্ষ থেকে ৯৩ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করে এবং জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এর আগে ২০২১ সালের ১০ জুন একটি মানবাধিকার সংগঠন তাদের প্রতিবেদনে ৬১ জনের নাম সংগ্রহের কথা জানায়। এছাড়া ২০১৪ সালে প্রকাশিত ‘শহিদনামা’ গ্রন্থে ৪১ জন নিহতের তথ্য উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শাপলা চত্বরের ঘটনায় ৫৮ হত্যার প্রমাণ: পরিচয় শনাক্ত

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে সংঘটিত ঘটনায় ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নিহতদের প্রত্যেকের পরিচয়ও নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ওই ঘটনার সময় ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জন নিহত হন। তদন্তে এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে এবং ভুক্তভোগীদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

পবিত্র কুরআন ও মহানবী (সা.)-এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদ এবং ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচি ঘোষণা করে হেফাজতে ইসলাম। ওই দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আলেম, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও সমর্থকেরা রাজধানীতে সমবেত হন এবং কর্মসূচি শেষে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন।

সেদিন দিনভর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। সন্ধ্যার আগেই সমাবেশস্থলের অস্থায়ী মঞ্চের সামনে দুজনের মরদেহ আনা হয়। পরে মধ্যরাতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালালে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে। গুলি, টিয়ারশেল ও শব্দবিস্ফোরক নিক্ষেপের মধ্যে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। বিভিন্ন সূত্রে এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ ঘটনার নিহতের সংখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে আসে। ২০২৫ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম তাদের পক্ষ থেকে ৯৩ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করে এবং জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এর আগে ২০২১ সালের ১০ জুন একটি মানবাধিকার সংগঠন তাদের প্রতিবেদনে ৬১ জনের নাম সংগ্রহের কথা জানায়। এছাড়া ২০১৪ সালে প্রকাশিত ‘শহিদনামা’ গ্রন্থে ৪১ জন নিহতের তথ্য উল্লেখ করা হয়।