ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 84

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী বিমানের বহরে যুক্ত হবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। পুরো চুক্তির মূল্য প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

বিমানের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং এভিয়েশন খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহর আধুনিক হবে এবং দীর্ঘ দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুট পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক রুটেও সেবা সম্প্রসারণ সহজ হবে।

ড্রিমলাইনার সিরিজের উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দীর্ঘ রুটে ব্যবহার করা হবে, আর ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের ফ্লাইটে পরিচালিত হবে। এতে জ্বালানি সাশ্রয় ও যাত্রীসেবা উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিমানের কর্মকর্তারা জানান, বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুরোনো উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন, নতুন রুট চালু এবং সংস্থার লাভজনকতা বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর আরও বড় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন বিমানবন্দর টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতির সঙ্গে এই বহর সম্প্রসারণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী বিমানের বহরে যুক্ত হবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। পুরো চুক্তির মূল্য প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

বিমানের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং এভিয়েশন খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহর আধুনিক হবে এবং দীর্ঘ দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুট পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক রুটেও সেবা সম্প্রসারণ সহজ হবে।

ড্রিমলাইনার সিরিজের উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দীর্ঘ রুটে ব্যবহার করা হবে, আর ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের ফ্লাইটে পরিচালিত হবে। এতে জ্বালানি সাশ্রয় ও যাত্রীসেবা উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিমানের কর্মকর্তারা জানান, বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুরোনো উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন, নতুন রুট চালু এবং সংস্থার লাভজনকতা বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর আরও বড় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন বিমানবন্দর টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতির সঙ্গে এই বহর সম্প্রসারণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।