ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আগস্টেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, অপরিবর্তিত থাকছে সব ধরনের জ্বালানির মূল্য প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, নতুন নজির সরকারের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলল, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর, বিমান টিকিটে আরও ২৫ হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা ধামা ইলিয়াছের তথ্যে গ্রেফতার ডেভিড ইমন, উদ্ধার বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রের মজুদ ৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভা, প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ আরও সহজ বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন লেভানডফস্কি, কারণ জানালেন তার এজেন্ট আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই’— বিয়ে ও মামলা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 26

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী বিমানের বহরে যুক্ত হবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। পুরো চুক্তির মূল্য প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

বিমানের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং এভিয়েশন খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহর আধুনিক হবে এবং দীর্ঘ দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুট পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক রুটেও সেবা সম্প্রসারণ সহজ হবে।

ড্রিমলাইনার সিরিজের উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দীর্ঘ রুটে ব্যবহার করা হবে, আর ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের ফ্লাইটে পরিচালিত হবে। এতে জ্বালানি সাশ্রয় ও যাত্রীসেবা উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিমানের কর্মকর্তারা জানান, বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুরোনো উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন, নতুন রুট চালু এবং সংস্থার লাভজনকতা বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর আরও বড় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন বিমানবন্দর টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতির সঙ্গে এই বহর সম্প্রসারণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী বিমানের বহরে যুক্ত হবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। পুরো চুক্তির মূল্য প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

বিমানের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং এভিয়েশন খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহর আধুনিক হবে এবং দীর্ঘ দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুট পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক রুটেও সেবা সম্প্রসারণ সহজ হবে।

ড্রিমলাইনার সিরিজের উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দীর্ঘ রুটে ব্যবহার করা হবে, আর ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের ফ্লাইটে পরিচালিত হবে। এতে জ্বালানি সাশ্রয় ও যাত্রীসেবা উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিমানের কর্মকর্তারা জানান, বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুরোনো উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন, নতুন রুট চালু এবং সংস্থার লাভজনকতা বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর আরও বড় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন বিমানবন্দর টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতির সঙ্গে এই বহর সম্প্রসারণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।