গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে, হাইকোর্টের রায়
- আপডেট সময় : ০৬:০৩:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 4

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, কর না দেওয়ার বিষয়ে দায়ের করা রিটের রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তিন অর্থবছরের জন্য গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে এনবিআরের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট দায়ের করে। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন।
পুনর্মূল্যায়নের পর পাঁচ করবর্ষের বিপরীতে ৬৬৬ কোটি টাকা প্রদেয় কর দাবির বিষয়ে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক রিট খারিজ করে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিষয়বস্তুর ওপর শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের বেঞ্চ ওই রায় দেন। তবে এর পরদিন, ৫ আগস্ট, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
পরবর্তী সময়ে জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানের পর ২৯ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা আদায়ের ওই রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রায় প্রত্যাহার করেন। একই সঙ্গে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। পরে মামলাটি নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়।
নতুন বেঞ্চে শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা রিট খারিজ করে দেওয়া হলো। ফলে এনবিআরের দাবি অনুযায়ী গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে।



























