ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
দুর্গাপূজায় ইলিশ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ ভারতের আমদানিকারকদের বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে আসছে সামঞ্জস্য, শিক্ষা ব্যবস্থায় অভিন্ন মানদণ্ডের উদ্যোগ দেশে সারের সংকট নেই, মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা চলছে: কৃষিমন্ত্রী প্রভাব-প্রতিপত্তি না দেখে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দুদককে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ প্রবাসীদের পাসপোর্ট-এনআইডি সেবা আরও দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ পদ্মায় দ্রুত বাড়ছে পানি, আগামী ১–২ দিনে চর ও নিচু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা আশুলিয়ায় দম্পতি হত্যার ঘটনায় যুবক গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তির দাবি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থায় গতি বেড়েছে, প্রতিদিন লেনদেন ১২০ কোটি টাকা কিংদাওয়ে কার্গো জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২০

খাদ্য গুদামের অনিয়ম-সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর সরকার, ছাড় পাবে না কেউ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 29

খাদ্য গুদামকে ঘিরে সব ধরনের অনিয়ম ও সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। সরকারি খাদ্য কর্মসূচিতে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে প্রকৃত সেবা গ্রহীতাদের পাওয়া অর্থের যে ব্যবধান তৈরি হচ্ছে, তার সুফল কোনোভাবেই সিন্ডিকেটের হাতে যেতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা খাদ্য গুদাম আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, খাদ্যগুদামগুলোতে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে কি না এবং সেগুলো নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করাই তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ কারণে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করা হবে।

মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে সংরক্ষিত ধান, গম ও আটার গুণগতমান সন্তোষজনক। মানিকগঞ্জের মতো দেশের অন্যান্য জেলাতেও পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ বা কোনো ধরনের সংকট দেখা দিলে যাতে দ্রুত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্য প্রতিটি জেলায় চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। ফলে দেশে কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নেই।

তিনি বলেন, জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী মজুত ধান, চাল, গমসহ অন্যান্য খাদ্যশস্য সুশৃঙ্খলভাবে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্যগুদামে কোনো ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কিংবা খাদ্যশস্যের গুণগতমান নিয়ে সমস্যা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, খাদ্যগুদামের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। খাদ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় সরকারের নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সম্প্রতি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আফরোজা খানম রিতা বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম সরকার বরদাশত করবে না।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

খাদ্য গুদামের অনিয়ম-সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর সরকার, ছাড় পাবে না কেউ

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

খাদ্য গুদামকে ঘিরে সব ধরনের অনিয়ম ও সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। সরকারি খাদ্য কর্মসূচিতে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে প্রকৃত সেবা গ্রহীতাদের পাওয়া অর্থের যে ব্যবধান তৈরি হচ্ছে, তার সুফল কোনোভাবেই সিন্ডিকেটের হাতে যেতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা খাদ্য গুদাম আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, খাদ্যগুদামগুলোতে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে কি না এবং সেগুলো নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করাই তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ কারণে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করা হবে।

মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে সংরক্ষিত ধান, গম ও আটার গুণগতমান সন্তোষজনক। মানিকগঞ্জের মতো দেশের অন্যান্য জেলাতেও পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ বা কোনো ধরনের সংকট দেখা দিলে যাতে দ্রুত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্য প্রতিটি জেলায় চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। ফলে দেশে কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নেই।

তিনি বলেন, জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী মজুত ধান, চাল, গমসহ অন্যান্য খাদ্যশস্য সুশৃঙ্খলভাবে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্যগুদামে কোনো ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কিংবা খাদ্যশস্যের গুণগতমান নিয়ে সমস্যা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, খাদ্যগুদামের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। খাদ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় সরকারের নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সম্প্রতি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আফরোজা খানম রিতা বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম সরকার বরদাশত করবে না।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।