ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / 13

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি এখনো জাতির কাছে অম্লান। তবে গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ, আহতদের যন্ত্রণা এবং আন্দোলনের স্মৃতি এখনো সবাইকে অনুপ্রাণিত করে। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ও প্রত্যাশা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়নি।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) ঢাকায় দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের নেতৃত্বে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৮ জুলাই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে ‘জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ পালন করা হবে।

এরপর ১৯ জুলাই ইসলামী যুব আন্দোলনের আয়োজনে ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে দেশব্যাপী আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। আর ৫ আগস্ট, স্বৈরাচার পতন দিবসে দেশজুড়ে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া পুরো জুলাই মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—জুলাইয়ের শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আহত ও নির্যাতিতদের সঙ্গে মতবিনিময়, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ছাত্রদের পদযাত্রা, ‘দ্রোহ ও জাগরণের জুলাই’ শীর্ষক সংলাপ ও দোয়া মাহফিল, গ্রাফিতি অঙ্কন, দেওয়াল লিখন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন নিয়ে দেশব্যাপী ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী এবং জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদদের স্মরণ এবং আন্দোলনের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি এখনো জাতির কাছে অম্লান। তবে গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ, আহতদের যন্ত্রণা এবং আন্দোলনের স্মৃতি এখনো সবাইকে অনুপ্রাণিত করে। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ও প্রত্যাশা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়নি।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) ঢাকায় দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের নেতৃত্বে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৮ জুলাই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে ‘জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ পালন করা হবে।

এরপর ১৯ জুলাই ইসলামী যুব আন্দোলনের আয়োজনে ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে দেশব্যাপী আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। আর ৫ আগস্ট, স্বৈরাচার পতন দিবসে দেশজুড়ে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া পুরো জুলাই মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—জুলাইয়ের শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আহত ও নির্যাতিতদের সঙ্গে মতবিনিময়, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ছাত্রদের পদযাত্রা, ‘দ্রোহ ও জাগরণের জুলাই’ শীর্ষক সংলাপ ও দোয়া মাহফিল, গ্রাফিতি অঙ্কন, দেওয়াল লিখন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন নিয়ে দেশব্যাপী ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী এবং জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদদের স্মরণ এবং আন্দোলনের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।