ব্যবসা শুরুর অপেক্ষা আর নয়, ৩৫৫ দিনের প্রক্রিয়া নামবে মাত্র ১৪ দিনে
- আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
- / 31

দেশে নতুন ব্যবসা শুরু করতে বর্তমানে লাইসেন্স সংগ্রহ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যেখানে প্রায় ৩৫৫ দিন সময় লাগে, সেখানে এই সময়সীমা কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।
বুধবার (২৪ জুন) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
মন্ত্রী বলেন, নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, অনুমোদন এবং যন্ত্রপাতি আমদানির দীর্ঘসূত্রতা কমাতে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্সসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদনও দ্রুততম সময়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফিরিয়ে আনা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আরও জানান, বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি তেল, সয়াবিন তেলসহ আমদানিনির্ভর বিভিন্ন পণ্যের কৌশলগত মজুত বা ‘স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ’ গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক জরিপ অনুযায়ী দেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার অধিকাংশই এমএসএমই খাতভুক্ত। জাতীয় জিডিপিতে এই খাতের অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।
এমএসএমই খাতের উন্নয়নে আগামী বাজেটে প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিভিন্ন সহায়তা ও প্রণোদনা কর্মসূচি প্রস্তাব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে। এছাড়া স্টার্টআপ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ইআরএফ, এসএমই ফাউন্ডেশন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।






















