ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

পায়ে দেখা দিতে পারে হৃদরোগের আগাম সংকেত, যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / 18

হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম ধারণা দিতে পারে আপনার পায়ের কিছু পরিবর্তন। যদিও শুধু পা দেখে সরাসরি হৃদরোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়, তবে পায়ের কিছু লক্ষণ শরীরের রক্ত সঞ্চালনের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়, যা অনেক ক্ষেত্রে হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃৎপিণ্ড শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। শরীরের নিচের অংশে অবস্থিত হওয়ায় রক্ত চলাচলে সমস্যা হলে তার প্রভাব অনেক সময় প্রথমে পায়েই দেখা যায়। ফলে পায়ের কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তন ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকির বার্তা বহন করতে পারে।

ধমনিতে চর্বি জমে রক্তপ্রবাহ কমে গেলে ‘পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ’ (PAD) নামক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি থাকে।

যেসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়, তার মধ্যে রয়েছে— হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা বা টান ধরা, অল্প হাঁটলেই ক্লান্ত অনুভব করা, পা সবসময় ঠান্ডা থাকা, ত্বকের রঙ ফ্যাকাশে বা নীলচে হয়ে যাওয়া এবং পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশ অনুভূতি হওয়া। এছাড়া পায়ের কোনো ক্ষত বা ঘা দীর্ঘদিনেও না শুকালে সেটিও সতর্ক হওয়ার মতো একটি বিষয়।

অনেকের পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়ার সমস্যাও দেখা যায়। চিকিৎসকদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে এটি হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণ হতে পারে। হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিকভাবে রক্ত পাম্প করতে না পারলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে যায়, যার প্রভাব পা ও গোড়ালিতে ফোলাভাব হিসেবে দেখা দিতে পারে।

তবে শুধু এসব লক্ষণ দেখেই হৃদরোগ আছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না। বরং এগুলোকে শরীরের একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। অনেক সময় গুরুতর রোগ প্রকাশের আগেই এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।

স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে নিয়মিত হাঁটাচলা বা হালকা ব্যায়াম, ধূমপান পরিহার, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। পাশাপাশি পায়ে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পায়ে দেখা দিতে পারে হৃদরোগের আগাম সংকেত, যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম ধারণা দিতে পারে আপনার পায়ের কিছু পরিবর্তন। যদিও শুধু পা দেখে সরাসরি হৃদরোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়, তবে পায়ের কিছু লক্ষণ শরীরের রক্ত সঞ্চালনের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়, যা অনেক ক্ষেত্রে হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃৎপিণ্ড শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। শরীরের নিচের অংশে অবস্থিত হওয়ায় রক্ত চলাচলে সমস্যা হলে তার প্রভাব অনেক সময় প্রথমে পায়েই দেখা যায়। ফলে পায়ের কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তন ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকির বার্তা বহন করতে পারে।

ধমনিতে চর্বি জমে রক্তপ্রবাহ কমে গেলে ‘পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ’ (PAD) নামক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি থাকে।

যেসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়, তার মধ্যে রয়েছে— হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা বা টান ধরা, অল্প হাঁটলেই ক্লান্ত অনুভব করা, পা সবসময় ঠান্ডা থাকা, ত্বকের রঙ ফ্যাকাশে বা নীলচে হয়ে যাওয়া এবং পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশ অনুভূতি হওয়া। এছাড়া পায়ের কোনো ক্ষত বা ঘা দীর্ঘদিনেও না শুকালে সেটিও সতর্ক হওয়ার মতো একটি বিষয়।

অনেকের পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়ার সমস্যাও দেখা যায়। চিকিৎসকদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে এটি হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণ হতে পারে। হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিকভাবে রক্ত পাম্প করতে না পারলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে যায়, যার প্রভাব পা ও গোড়ালিতে ফোলাভাব হিসেবে দেখা দিতে পারে।

তবে শুধু এসব লক্ষণ দেখেই হৃদরোগ আছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না। বরং এগুলোকে শরীরের একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। অনেক সময় গুরুতর রোগ প্রকাশের আগেই এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।

স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে নিয়মিত হাঁটাচলা বা হালকা ব্যায়াম, ধূমপান পরিহার, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। পাশাপাশি পায়ে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।