ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক গোল্ড কাপ ফাইনাল, ভবিষ্যতে অংশগ্রহণ ৫০ লাখে উন্নীতের লক্ষ্য দেশজুড়ে শিক্ষায় বড় পরিবর্তন: স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও ৫ কোটি গাছ রোপণ কর্মসূচি জর্ডানে অবৈধ বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা ৩৫ বছর পর যেসব স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি উপবৃত্তি পেতে অভিভাবকের এনআইডি ভ্যালিডেশন বাধ্যতামূলক সংসদে বাবাকে ‘শহীদ’ বলা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ এমপি মুনতাকিমের খেলাপি ঋণ বেড়ে ব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি ও লোকসানের ঝুঁকি ক্রাইস্টচার্চে অর্ধেক লাল-অর্ধেক হলুদ বিরল আপেল ঘিরে কৌতূহল গরমে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অনুশীলন করছে আর্জেন্টিনা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে

শিক্ষা ব্যবস্থায় টেকসই উন্নয়নে ৪ স্তম্ভ ও নতুন উপাদানের ওপর জোর ববি হাজ্জাজের

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • / 14
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য চারটি মূল স্তম্ভ এবং একটি নতুন উপাদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, বিভিন্ন স্ট্রিমের সমন্বয় এবং প্রযুক্তির সংযোজন—বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান—এই বিষয়গুলোই ভবিষ্যৎ শিক্ষার ভিত্তি হবে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) ঢাকার র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত ‘Cambridge Press and Assessment Bangladesh Limited, Launch Event 2026’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের লক্ষ্য হলো বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা।

তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে ২৭টিরও বেশি শিক্ষা ধারা রয়েছে। এসব ধারার মধ্যে একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে মাদ্রাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমান মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়।

শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না, যেমন চাকা ছাড়া গাড়ি চলতে পারে না।

তিনি জানান, শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে ক্যামব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিক্ষা ব্যবস্থায় টেকসই উন্নয়নে ৪ স্তম্ভ ও নতুন উপাদানের ওপর জোর ববি হাজ্জাজের

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য চারটি মূল স্তম্ভ এবং একটি নতুন উপাদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, বিভিন্ন স্ট্রিমের সমন্বয় এবং প্রযুক্তির সংযোজন—বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান—এই বিষয়গুলোই ভবিষ্যৎ শিক্ষার ভিত্তি হবে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) ঢাকার র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত ‘Cambridge Press and Assessment Bangladesh Limited, Launch Event 2026’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের লক্ষ্য হলো বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা।

তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে ২৭টিরও বেশি শিক্ষা ধারা রয়েছে। এসব ধারার মধ্যে একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে মাদ্রাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমান মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়।

শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না, যেমন চাকা ছাড়া গাড়ি চলতে পারে না।

তিনি জানান, শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে ক্যামব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।