ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

বিএনপিতে পুনর্গঠনের হাওয়া, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে আসছে বড় পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 105

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিশেষ করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও কৃষকদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আসার সম্ভাবনায় অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গতি এসেছে। শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে দলটি।

সম্প্রতি ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। আগামীতে কৃষকদলসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দলীয় সূত্র বলছে, এসব বৈঠকই পুনর্গঠনের মূল ভিত্তি তৈরি করছে।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গ সংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান এবং নতুন নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কৃষকদলেও নতুন নেতৃত্ব আসার আলোচনা জোরদার হয়েছে। ২০২১ সালে গঠিত কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমান নেতৃত্বের অনেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্বে চলে যাওয়ায় সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে নতুন কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

দলীয় নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, পুনর্গঠনের মাধ্যমে বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলো আরও সংগঠিত ও সক্রিয় হবে, যা রাজনৈতিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।

কৃষকদলের সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক নেতার নাম সামনে এসেছে, যাদের মধ্যে বর্তমান ও সাবেক ছাত্রনেতা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, আগামী দিনে ধাপে ধাপে সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠন করা হবে, যা দলীয় রাজনীতিতে নতুন গতি আনবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপিতে পুনর্গঠনের হাওয়া, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে আসছে বড় পরিবর্তন

আপডেট সময় : ০৪:২২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিশেষ করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও কৃষকদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আসার সম্ভাবনায় অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গতি এসেছে। শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে দলটি।

সম্প্রতি ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। আগামীতে কৃষকদলসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দলীয় সূত্র বলছে, এসব বৈঠকই পুনর্গঠনের মূল ভিত্তি তৈরি করছে।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গ সংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান এবং নতুন নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কৃষকদলেও নতুন নেতৃত্ব আসার আলোচনা জোরদার হয়েছে। ২০২১ সালে গঠিত কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমান নেতৃত্বের অনেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্বে চলে যাওয়ায় সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে নতুন কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

দলীয় নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, পুনর্গঠনের মাধ্যমে বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলো আরও সংগঠিত ও সক্রিয় হবে, যা রাজনৈতিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।

কৃষকদলের সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক নেতার নাম সামনে এসেছে, যাদের মধ্যে বর্তমান ও সাবেক ছাত্রনেতা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, আগামী দিনে ধাপে ধাপে সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠন করা হবে, যা দলীয় রাজনীতিতে নতুন গতি আনবে।