ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আইনি পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ করতে পারে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: তারেক রহমান চার মাসে রেমিট্যান্সে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, দেশে এলো ১১৬৮ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭ দলে প্রথমবার ডাক পেলেন রোনালদো-পুত্র সারা আলী খানের সঙ্গে বন্ধুত্ব ভাঙার কারণ জানালেন ওরি মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন করা যাবে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত আগামী চারদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, জানাল পেট্রোবাংলা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 87

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহীদের এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তাই এ বিষয়ে যারা নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আইনগত মতামত বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন তা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি স্পষ্ট করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা বা অযোগ্যতা নির্ধারণের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জামায়াত সরকারের ওপর কোনো দায় চাপানোর সুযোগ নেই। কারণ সংসদে সংশ্লিষ্ট বিল পাসের সময় তারাও উপস্থিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ড। বৈঠকে স্থানীয় উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানান সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহীদের এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তাই এ বিষয়ে যারা নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আইনগত মতামত বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন তা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি স্পষ্ট করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা বা অযোগ্যতা নির্ধারণের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জামায়াত সরকারের ওপর কোনো দায় চাপানোর সুযোগ নেই। কারণ সংসদে সংশ্লিষ্ট বিল পাসের সময় তারাও উপস্থিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ড। বৈঠকে স্থানীয় উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানান সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি।