ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
‘হ্যালো ডিসি’তে আবেদন করে সেলাই মেশিন পেলেন দোহারের ১৪ অসহায় নারী বেনজীরের দুবাইয়ে মুক্তির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই, যা করণীয় দুদক করবে: মহাপরিচালক দেশব্যাপী এআই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু, ৬৪ জেলায় ১,৬০০ তরুণ-তরুণী পাবেন দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ প্রবাসীদের ঝুলে থাকা পাসপোর্ট আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের ‘জুলাইয়ের অর্জনের চেয়ে ব্যর্থতার আলোচনা বেশি, জাতীয় অনৈক্যের দায় বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের’ কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার, ২-৫ দিনের মধ্যে কমতে পারে দাম ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেফতার ৪৩১, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল ও ১৪ হাজার ইয়াবা বিনামূল্যে ১৪ দিনের পর্যটন ভিসা চালু করল ওমান দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হার, মাত্র ৮৯ রানেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল ৩১তম বিবাহবার্ষিকীতে মৌসুমীকে আবেগঘন বার্তা দিলেন ওমর সানী

ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তিতে শনিবার পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • / 15

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি এবং বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং একটি আলোচনা সভায় বক্তব্য দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তাদের মতে, এ সফর শুধু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন নয়, বরং এটি ঢামেক পরিবারের জন্য একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে। একই সঙ্গে কলেজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে। পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতিও তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও উৎসাহিত করবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, ১১ জুলাইয়ের এই আয়োজন ঢামেক পরিবারের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন প্রত্যাশার বার্তা বয়ে আনবে। একই সঙ্গে এটি নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতি অনুপ্রাণিত করবে।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের চিকিৎসা শিক্ষা, মানবিক সেবা ও জাতীয় সংকট মোকাবিলায় বরাবরই আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে। তিনি আশা করেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি আসবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাত আরও আধুনিক ও জনমুখী হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম প্রাচীন ও শীর্ষ সরকারি চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তিতে শনিবার পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি এবং বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং একটি আলোচনা সভায় বক্তব্য দেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তাদের মতে, এ সফর শুধু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন নয়, বরং এটি ঢামেক পরিবারের জন্য একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে। একই সঙ্গে কলেজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে। পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতিও তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও উৎসাহিত করবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, ১১ জুলাইয়ের এই আয়োজন ঢামেক পরিবারের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন প্রত্যাশার বার্তা বয়ে আনবে। একই সঙ্গে এটি নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতি অনুপ্রাণিত করবে।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের চিকিৎসা শিক্ষা, মানবিক সেবা ও জাতীয় সংকট মোকাবিলায় বরাবরই আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে। তিনি আশা করেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি আসবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাত আরও আধুনিক ও জনমুখী হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম প্রাচীন ও শীর্ষ সরকারি চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।