ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন জমি চাইল জাতিসংঘ, বাংলাদেশের ‘না’; প্রত্যাবাসনের দাবিতে জোর

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 34

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে জাতিসংঘ। তবে সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে জাতিসংঘে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে। মানবিক কারণে বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক শরণার্থীর উপস্থিতির কারণে সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে দেশ।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় সম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে সংকটের দ্রুত ও টেকসই সমাধান এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও আঞ্চলিক অংশীজনদের প্রতি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, রোহিঙ্গারা নিজেরাও তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়। তাই প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান। পাশাপাশি তাদের দেশত্যাগে বাধ্য করার জন্য দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগে থেকেই বাংলাদেশে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছিল। পরে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে সহিংসতা ও সামরিক অভিযানের পর আরও প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে মোট প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন জমি চাইল জাতিসংঘ, বাংলাদেশের ‘না’; প্রত্যাবাসনের দাবিতে জোর

আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে জাতিসংঘ। তবে সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে জাতিসংঘে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে। মানবিক কারণে বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক শরণার্থীর উপস্থিতির কারণে সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে দেশ।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় সম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে সংকটের দ্রুত ও টেকসই সমাধান এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও আঞ্চলিক অংশীজনদের প্রতি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, রোহিঙ্গারা নিজেরাও তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়। তাই প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান। পাশাপাশি তাদের দেশত্যাগে বাধ্য করার জন্য দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগে থেকেই বাংলাদেশে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছিল। পরে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে সহিংসতা ও সামরিক অভিযানের পর আরও প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে মোট প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে।