ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ মামলা: তদন্ত প্রায় শেষ, ৭ জুনে প্রতিবেদন দাখিলের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 163

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, এই ঘটনায় শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যই নন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি আর্থিক সহায়তার প্রমাণও তদন্তে উঠে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, তদন্তে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংশ্লিষ্টদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত প্রায় দেড় বছর ধরে এই তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং শহীদদের তথ্য সংগ্রহসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ তৎকালীন প্রশাসন ও বিভিন্ন বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ের আরও অনেক ব্যক্তিও মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন। সব মিলিয়ে এ মামলায় ২৫ জনের বেশি আসামি রয়েছে এবং ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ মামলা: তদন্ত প্রায় শেষ, ৭ জুনে প্রতিবেদন দাখিলের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, এই ঘটনায় শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যই নন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি আর্থিক সহায়তার প্রমাণও তদন্তে উঠে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, তদন্তে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংশ্লিষ্টদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত প্রায় দেড় বছর ধরে এই তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং শহীদদের তথ্য সংগ্রহসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, রাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ তৎকালীন প্রশাসন ও বিভিন্ন বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ের আরও অনেক ব্যক্তিও মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন। সব মিলিয়ে এ মামলায় ২৫ জনের বেশি আসামি রয়েছে এবং ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।