ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আইনি পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ করতে পারে পুলিশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: তারেক রহমান চার মাসে রেমিট্যান্সে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, দেশে এলো ১১৬৮ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭ দলে প্রথমবার ডাক পেলেন রোনালদো-পুত্র সারা আলী খানের সঙ্গে বন্ধুত্ব ভাঙার কারণ জানালেন ওরি মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন করা যাবে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত আগামী চারদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, জানাল পেট্রোবাংলা আগামী গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী

এক ইঞ্চি জমিরও রাজস্ব ফাঁকি নয়: অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

রিফাতুজ্জামান প্রিন্স
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 152

সরকারি জমির এক ইঞ্চিও রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ আর থাকবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং বেদখল জমি পুনরুদ্ধারই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে তার দপ্তরে অনুষ্ঠিত চা বাগান ব্যবস্থাপনা ও গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩ বিষয়ক এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় হবিগঞ্জ জেলার চা বাগানসমূহের তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, সারাদেশে ১৬৬টি চা বাগানের আওতায় প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৪৬ একর জমি রয়েছে। এসব জমির মধ্যে কোনগুলো চা চাষের উপযোগী, কোনগুলো অনুপযোগী এবং কোন জমি ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত রয়েছে—এসবের সঠিক ও পৃথক তথ্য দ্রুত সংগ্রহের নির্দেশ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে যেসব চা বাগান থেকে সরকার কোনো রাজস্ব পায়নি, সেগুলো খতিয়ে দেখা জরুরি। যারা অবৈধভাবে এতদিন সরকারের পাওনা পরিশোধ করেনি, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন বেহাত না হয়, সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। সরকারি জমি দখলে রেখে রাজস্ব না দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বেদখল হওয়া জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩ এর অগ্রগতি সম্পর্কেও আলোচনা হয়। জানানো হয়, প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি শিগগিরই অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য আলাদা নকশায় ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী নির্দেশ দেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এক ইঞ্চি জমিরও রাজস্ব ফাঁকি নয়: অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি জমির এক ইঞ্চিও রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ আর থাকবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং বেদখল জমি পুনরুদ্ধারই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে তার দপ্তরে অনুষ্ঠিত চা বাগান ব্যবস্থাপনা ও গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩ বিষয়ক এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় হবিগঞ্জ জেলার চা বাগানসমূহের তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, সারাদেশে ১৬৬টি চা বাগানের আওতায় প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৪৬ একর জমি রয়েছে। এসব জমির মধ্যে কোনগুলো চা চাষের উপযোগী, কোনগুলো অনুপযোগী এবং কোন জমি ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত রয়েছে—এসবের সঠিক ও পৃথক তথ্য দ্রুত সংগ্রহের নির্দেশ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে যেসব চা বাগান থেকে সরকার কোনো রাজস্ব পায়নি, সেগুলো খতিয়ে দেখা জরুরি। যারা অবৈধভাবে এতদিন সরকারের পাওনা পরিশোধ করেনি, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন বেহাত না হয়, সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। সরকারি জমি দখলে রেখে রাজস্ব না দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বেদখল হওয়া জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩ এর অগ্রগতি সম্পর্কেও আলোচনা হয়। জানানো হয়, প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি শিগগিরই অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য আলাদা নকশায় ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী নির্দেশ দেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।