ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
সৌদি আরবে ৩৫ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসীর জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশনা, যা মানা বাধ্যতামূলক সার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম হলেই ডিলারশিপ বাতিল, কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী শিগগিরই বসছে পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা, কাজে ফেরার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা: নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, সর্বোচ্চ গতি ২৫ কিমি পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে ৬ সদস্যের নতুন বোর্ড গঠন এইচএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, ফি ১৫০ টাকা পোশাক শ্রমিকদের দাবি ঘিরে রোববার গঠন হচ্ছে নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার: বাবার হত্যা মামলা, বন্ধুর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন এইচএসসি পাস করা সব শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

বিদ্যুৎ সংকট তীব্র, আজ সর্বোচ্চ ২৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 90

দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় শনিবার (২৯ আগস্ট) সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকেল ৫টার দিকে লোডশেডিং দিনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট, বিকেল ৩টায় ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। এরপর বিকেল ৫টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

সন্ধ্যার দিকে কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও রাতে আবারও বিদ্যুতের ঘাটতি বাড়তে পারে। সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

এ ছাড়া রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে। এ সময় উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। একই সময়ে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।

এর আগে গত কয়েক দিনেও দেশে উল্লেখযোগ্য বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা গেছে। ফলে শনিবারও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অব্যাহত থাকতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ সংকট তীব্র, আজ সর্বোচ্চ ২৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় শনিবার (২৯ আগস্ট) সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকেল ৫টার দিকে লোডশেডিং দিনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট, বিকেল ৩টায় ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। এরপর বিকেল ৫টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

সন্ধ্যার দিকে কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও রাতে আবারও বিদ্যুতের ঘাটতি বাড়তে পারে। সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

এ ছাড়া রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে। এ সময় উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। একই সময়ে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।

এর আগে গত কয়েক দিনেও দেশে উল্লেখযোগ্য বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা গেছে। ফলে শনিবারও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অব্যাহত থাকতে পারে।