ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর চলবে না: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 123

উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেছেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আর গতানুগতিকভাবে চলতে পারবে না।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান নিশ্চিত করা, দুর্নীতি কমানো এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর সরকার জোর দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্প পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও ৩১ দফার আলোকে একটি নতুন কৌশলগত কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, যা আগামী দুই বছরের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার দিকনির্দেশনা দেবে। এর লক্ষ্য হলো অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, বৈষম্য কমানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, উন্নয়ন বাজেটের অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রকল্প ও বারবার ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানোর সংস্কৃতি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন প্রকল্পকে জনকল্যাণমুখী, সাশ্রয়ী ও সময়নিষ্ঠ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া প্রকল্প তদারকি আরও কার্যকর করতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের দেওয়া প্রস্তাব ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর চলবে না: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেছেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আর গতানুগতিকভাবে চলতে পারবে না।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান নিশ্চিত করা, দুর্নীতি কমানো এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর সরকার জোর দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্প পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও ৩১ দফার আলোকে একটি নতুন কৌশলগত কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, যা আগামী দুই বছরের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার দিকনির্দেশনা দেবে। এর লক্ষ্য হলো অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, বৈষম্য কমানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, উন্নয়ন বাজেটের অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রকল্প ও বারবার ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানোর সংস্কৃতি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন প্রকল্পকে জনকল্যাণমুখী, সাশ্রয়ী ও সময়নিষ্ঠ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া প্রকল্প তদারকি আরও কার্যকর করতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের দেওয়া প্রস্তাব ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।