
শিক্ষা খাতকে এবারের বাজেটে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, সরকারের মূল অগ্রাধিকার তিনটি বিষয় হলো—প্রথমত শিক্ষা, দ্বিতীয়ত শিক্ষা এবং তৃতীয়তও শিক্ষা।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ইউনিসেফ আয়োজিত বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ) বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ইউনিসেফের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে দেশে এখনো প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে। মাধ্যমিক স্তরে এ হার ১৩ শতাংশের বেশি। ফলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৪০ লাখ শিশু-কিশোর শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছেলেশিশুর স্কুলবিমুখতা মেয়েদের তুলনায় বেশি এবং ২০২২ সালের তুলনায় এই সংখ্যা আরও বেড়েছে, যা উদ্বেগজনক।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানে কাজ শুরু করেছে এবং শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার শিশুরা সবচেয়ে বেশি শিক্ষাবঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রি-প্রাইমারি শিক্ষা চালু করা হবে। আগামী বছরে সব স্কুলে মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সব স্কুলকে সিঙ্গেল শিফটে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।